কক্সবাজার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্থানীয় কর্মীদের ছাঁটাইয়ের অভিযোগ পরিচালক মুনজুরের বিরুদ্ধে

 

কক্সবাজার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্থানীয় কর্মীদের ছাঁটাইয়ের অভিযোগ; পরিচালক মুনজুরের বিরুদ্ধে

//গণস্বাস্থ্য ‘ট্রাস্টি বোর্ডের আদেশ চলবে না, এখানে আমিই সব’: কক্সবাজার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক মঞ্জুর

//এনজিওতে স্থানীয়দের ৬০% চাকরি নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এমপি কাজলের ডিও লেটার

//‘গণস্বাস্থ্য’সহ যেকোনো এনজিওতে বঞ্চনার শিকারদের লিখিত অভিযোগের আহ্বান, আইনি ব্যবস্থার আশ্বাস' -কক্সবাজার-৩  আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল

আরবিএন নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ঐতিহ্যবাহী এনজিও ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ (জিকে)-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডাঃ মুনজুর-ই-মুর্শিদ বিরুদ্ধে চরম প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লাঞ্ছনা, বিধি বহির্ভূত স্থানীয়দের চাকরিচ্যুতি এবং সংস্থার কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে অবমাননার অভিযোগ উঠেছে।

সংস্থার কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপার্সন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বরাবর পাঠানো লিখিত অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল বার্তা এবং জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের পদত্যাগপত্র বিশ্লেষণ করে এসব নজিরবিহীন অনিয়ম ও হয়রানির তথ্য পাওয়া গেছে।

কেন্দ্রীয় নির্দেশ অমান্য ও সিইও-কে বৃদ্ধাঙ্গুলিঃ

নথিপত্র অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসে মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগ ও প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটরকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে জ্যেষ্ঠ আইটি অফিসারকে আকস্মিক চাকরিচ্যুতির নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডাঃ মুনজুর-ই-মুর্শিদ। এইচআর বিভাগ বিধি অনুযায়ী কারণ দর্শানো ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের অনুরোধ জানালে তিনি তা উপেক্ষা করেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সিইও উক্ত চাকরিচ্যুতির আদেশ স্থগিত করেন এবং পরিচালকের কাছে কৈফিয়ত তলব করেন। কিন্তু গত ৮ এপ্রিল বিকেলে ডাঃ মুর্শিদ আইটি কক্ষে ঢুকে উক্ত কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক বের করে দেন। এ সময় উপস্থিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সিইও-এর স্থগিতাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি চিৎকার করে বলেন, "এখানে সিইও বা ট্রাস্টি চেয়ারম্যান কারও নির্দেশ চলবে না, আমার নির্দেশই চূড়ান্ত।"

ভিডিও ধারণ, অশালীন মন্তব্য ও শারীরিক লাঞ্ছনার চেষ্টাঃ

গত ৭ জুন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপার্সন বরাবর দাখিলকৃত এক অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর মাসের পর মাস কর্মীদের নিয়োগপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুলিয়ে রাখেন, বেতন-ভাতা ও প্রকল্প-সংক্রান্ত আর্থিক নথিপত্রে সময়মত স্বাক্ষর প্রদান থেকে বিরত থাকেন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রয়োজন ছাড়াই প্রায়ই তার কার্যালয়ে (জিকে-এমআই অফিস) তলব করে চাকরিচ্যুতির ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এছাড়াও, তিনি কর্মীদের ছুটির দিনেও জোরপূর্বক দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য করেন।

উল্লেখিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা ও পারস্পরিক সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এর আগে একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টরের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় প্রার্থনা করলেও তার পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক বা প্রয়োজনীয় সাড়া পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে, গত ৬ জুন সকালে প্রকল্পের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে জিকে-এমআই অফিসের মিটিং রুমে সমবেত হন।

কিন্তু ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানান। বরং তিনি উপস্থিত কর্মীদের ‘গার্মেন্টস কর্মী’ ও ‘দিনমজুর’ বলে অবমাননাকর মন্তব্য করেন এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি উপস্থিত কর্মীদের সম্মতি ব্যতিরেকে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। এ বিষয়ে একজন কর্মী আপত্তি জানালে তিনি উত্তেজিত হয়ে ওই কর্মীকে ধাক্কা দেন এবং শারীরিকভাবে আঘাত করার চেষ্টা করেন।

পরবর্তীতে প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জনাব মতিউর রহমান, জিকে জোনাল ম্যানেজার এবং সেফটি-সিকিউরিটি ফোকাল, আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য চেষ্টা করেন এবং ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে তাদের (উপস্থিত কর্মী) সাথে বসে কথা বলার অনুরোধ জানালে, ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর, ডাঃ মুনজুর-ই-মুর্শিদ তাদের সেই উদ্যোগও তাচ্ছিল্যের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেন, যার ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

স্বজনপ্রীতি, চিকিৎসকদের পদত্যাগঃ

প্রশাসনিক নিপীড়নের মুখে গত ৬ মাসে সংস্থারি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্যাম্প-১১ এর ক্লিনিক ম্যানেজার ডাঃ সানজিদা, মেডিকেল কো-অর্ডিনেটর ডাঃ জাফর সাদেক এবং মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাবেয়া বসরী মৌ সহ অনেকেই।

পদত্যাগপত্রে অভিযোগ করা হয়, জিকের এইচআর পলিসি লঙ্ঘন করে এক নারী কর্মকর্তাকে বিনা সাক্ষাৎকারে পদোন্নতি দেওয়া হলেও অন্তঃসত্ত্বা ও প্রসূতি কর্মীদের মাতৃত্বকালীন সুবিধার ন্যায্য আবেদন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা ও এনজিও ব্যুরোর নিয়ম তোয়াক্কা না করে কক্সবাজারের স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছাঁটাই ও বহিরাগতদের দিয়ে পদ পূরণের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

কক্সবাজারের স্থানীয়দের চাকুরী থেকে ছাটাই:

কক্সবাজারের একটি স্বনামধন্য বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) স্থানীয় কর্মীদের পরিকল্পিতভাবে চাকরিচ্যুত করা এবং চরম মানসিক চাপ তৈরির অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মঞ্জুরি ও প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি পদত্যাগ করা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক অভিযোগ করে জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মঞ্জুরি দাপ্তরিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ও অপেশাদার আচরণ করে আসছিলেন; এমনকি অফিশিয়াল বৈঠক চলাকালে আকস্মিক বাধা দেওয়া, কর্মকর্তাদের সভাকক্ষ ত্যাগে বাধ্য করা এবং প্রতিবাদ করলে শারীরিক লাঞ্ছনার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হতো। উক্ত চিকিৎসকের দাবি, এসব অনিয়মের প্রধান সহযোগী ছিলেন প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মতিউর রহমান এবং তাঁরা দুজনে মিলে কক্সবাজারের স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করার চক্রান্তে লিপ্ত হন, যার অংশ হিসেবে স্বেচ্ছায় পদত্যাগে রাজি না হলে কর্মচারীদের নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হতো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনৈতিক হস্তক্ষেপ ও চরম স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে; অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নিজের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে নির্বাচন বোর্ডের মার্কশিট জালিয়াতির পাশাপাশি স্থানীয় যোগ্য প্রার্থীদের শর্টলিস্ট থেকে বাদ দিতে মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের ওপর নিয়মিত অশুভ চাপ প্রয়োগ করে আসছেন।

ঝুঁকিতে দাতা সংস্থার প্রকল্প ও কমপ্লায়েন্স

কক্সবাজার ও ভাসানচরে ইউএনএইচসিআর (UNHCR), ডব্লিউএফপি (WFP), ইউনিসেফ (UNICEF), কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড (Concern Worldwide) ও মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল (MI)-এর অর্থায়নে পরিচালিত স্বাস্থ্য প্রকল্পগুলোর অর্থ ছাড় ও ফাইল অনুমোদন আটকে থাকায় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর অডিট ও স্পট চেক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা না করায় দীর্ঘদিনের অর্জিত প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, কক্সবাজারে কর্মরত নিয়মিত কোর-সিনিয়র স্টাফরা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে পরিচালকের সঙ্গে গণস্বাস্থ্যের নিয়ম-নীতি ও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে তিনি সে ধরনের আলোচনা বা মতবিনিময়ের কোনো সুযোগ দেন না। বরং তিনি নিজের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন, তা নিয়ম-নীতি বা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হোক বা না হোক। তাঁর বক্তব্যই যেন আইন—এমন মনোভাব নিয়ে তিনি কাজ পরিচালনা করেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত নিয়ম-নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করেন না।

এছাড়া, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, কক্সবাজারের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি নিয়ম-নীতি বা সাংগঠনিক প্রক্রিয়া নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করার চেষ্টা করেন, তবে তাঁদের ঢাকায় বদলির হুমকি দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন কোর-স্টাফকে ঢাকায় বদলিও করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে কক্সবাজার প্রকল্পে নিয়মিত কোর-স্টাফের সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে, যা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও ধারাবাহিকতার জন্য উদ্বেগজনক।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কক্সবাজার কার্যালয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডাঃ মুনজুর-ই-মুর্শিদ কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংস্থার সাধারণ কর্মী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ ও দাতা সংস্থাসমূহের কমপ্লায়েন্স রক্ষার স্বার্থে কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

গণস্বাস্থ্য কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মুনজুর-ই মোরশেদ ও প্রজেক্ট কোর্ডিনেটর মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উত্থাপিত নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী এইচ এম শফিকুজ্জামান জানিয়েছেন, বিষয়গুলো বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তাধীন রয়েছে এবং লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, প্রকল্পের তহবিল সংকটের কারণে স্বাভাবিক নিয়মেই কিছু কর্মচারীর চাকরি শেষ হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি, অন্যায়ভাবে কাউকে বরখাস্ত কিংবা কর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও মানসিক চাপ সৃষ্টির মতো অভিযোগগুলোকে গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে; তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

কক্সবাজারে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন দেশি-বিদেশি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও ও আইএনজিও) স্থানীয় যোগ্য ও শিক্ষিত বেকারদের জন্য অন্তত ৬০ শতাংশ চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল। রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে গিয়ে স্থানীয় জনগণই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব (এনজিও বিষয়াবলি তদারককারী) জাকারিয়ার কাছে একটি বিশেষ আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি কক্সবাজারের স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

লুৎফর রহমান কাজল সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত নীতি লঙ্ঘন করে ৬০ শতাংশের কম স্থানীয়দের নিয়োগ দিলে কিংবা কোনো এনজিও স্থানীয় কর্মীদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত বা বৈষম্যের শিকার করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ‘গণস্বাস্থ্য’সহ যেকোনো এনজিও কর্তৃক বঞ্চনার শিকার স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত লিখিত অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানিয়ে এই সংসদ সদস্য আশ্বাস দেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তিনি সবসময় ভুক্তভোগীদের পাশে থাকবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ