রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি |
কক্সবাজারের রামু উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ দিয়েছেন সাব-রেজিস্ট্রার সাহেদ হোসেন । গত ২৪ জুন এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তিনি ওই প্রতিবেদনটিকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হয়রানিমূলক বলে আখ্যায়িত করেন। এর আগে গত ২২ জুন ‘রামু প্রতিদিন’ নামক একটি ফেসবুক পেজসহ কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে 'ঘুষে সংশোধন হয় জমি রেজিস্ট্রির নামের ভুল' শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়, যেখানে সাব-রেজিস্ট্রারকে সংশ্লিষ্ট করে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
বিবৃতিতে জনসাধারণের বিভ্রান্তি দূর করতে রামু সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দাপ্তরিক নিয়মাবলী ও প্রকৃত সত্য তুলে ধরে বলা হয়:
আইন ও বিধি মোতাবেক সম্পাদন: রামু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিটি দলিল দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিমালা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করেই কেবল সম্পাদন করা হয়। এখানে নিয়মের বাইরে বা আইনবহির্ভূত কোনো কাজ করার সুযোগ নেই।
উন্মুক্ত ফি চার্ট ও তালিকা: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দলিলের নির্ধারিত ফিস চার্ট এবং অনুমোদিত দলিল লেখকদের তালিকা অফিসের সেবাগ্রহীতা সকলের সুবিধার্থে উন্মুক্ত ও দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক সরকারি রশিদ প্রদান: দলিল রেজিস্ট্রি এবং দলিলের অবিকল নকল (সার্টিফাইড কপি) সরবরাহ সংক্রান্ত সরকার নির্ধারিত ফি আদায়ের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে তাৎক্ষণিকভাবে অফিশিয়াল ক্যাশ রশিদ প্রদান করা হয়।
বিবৃতিতে সাব-রেজিস্ট্রার সাহেদ হোসেন বলেন, একটি সরকারি দপ্তরের নিয়মিত ও স্বচ্ছ কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় কোনো প্রকার সত্যতা যাচাই না করেই এই অবাস্তব প্রতিবেদনটি প্রচার করা হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ