কেন্দ্রীয় যুবদল কমিটিতে পদে স্থান পেলেন চবির সাবেক ছাত্র নেতা খোরশেদ আলম
যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির " সহ- বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক "
কে আসল কে নকল? নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে চুল ছেড়া বিশ্লেষণ।
দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ জুলাই মুনায়েম মুন্না কে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়ন কে সাধারণ সম্পাদক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি পরিবর্তীতে যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদায় মিনহাজুল ইসলাম ভূঁয়াকে সহ দপ্তর সম্পাদক ঘোষণা করার পর দীর্ঘ ২ বছর পেরিয়ে পেলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে ২ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। অবশেষে গতকাল ৪ জুন ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণার পরপরই কমিটি নিয়ে ব্যাপকভাবে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেক ত্যাগী ও গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল থেকে বাদ পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা গেছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ৩ নেতা যথাক্রমে খোরশেদ আলম , সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক , রাজিবুল আহসান পাপ্পু সদস্য ( সহসাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা ) আব্দুল কুদ্দুস সহসম্পাদক, ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নামের বিভ্রাটের কারণে সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নিয়ে কিন্তু ব্যপকভাবে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হওয়ার জন্য ৩/৪ মাস পর্যন্ত ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের বায়ুডাটা সংগ্রহ করা হয়েছিলো। সেখানে খোরশেদ নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বৈধ পদ দারী সাবেক ৩ নেতার মধ্যে একমাত্র মহেশখালীর খোরশেদ আলম তার বায়ুডাটা জমা দিয়েছিলেন। বাকি ২ জন খোরশেদ আলম কুতুবী , মহানগর বিএনপির সাবেক সহ প্রচার সম্পাদক এবং এড.খোরশেদ আলম যিনি কে আলম হিসাবে পরিচিত তারা ২ জন যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার জন্য কোনো বায়ুডাটা জমা করেন নাই। নোয়াখালী অঞ্চলের যে খোরশেদ আলম কে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যারা কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দাবি করছেন তারা ভালো করেই জানেন যে, নোয়াখালীর খোরশেদ কখনো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পদদারী নেতা ছিলেন না। ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৪টি কমিটি গঠিত হয়েছিলো ৪ টা কমিটিতেই মহেশখালীর খোরশেদ আলম যথাক্রমে ১নং যুগ্ম সম্পাদক ,৩ নং যুগ্ম আহবায়ক , সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এবং সর্বশেষ সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু নোয়াখালীর যে খোরশেদ আলম কে যে বা যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা বানিয়ে দিচ্ছেন এবং যুবদলের সহ বন ও পরিবেশ বিষযক সম্পাদক দাবি করছেন তাদের জ্ঞাতার্থে মহেশখালীর খোরশেদ আলমের বক্তব্য হচ্ছে নোয়াখালীর খোরশেদ আলম কে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো কোনো সময় ছাত্রদলের রাজনীতি করতে দেখেন নাই। বরঞ্চ সে হল ছাত্র শিবিরের রাজনীতি করতেন।
মূলত মহেশখালীর খোরশেদ আলমের ছাত্র রাজনীতির বায়ুডাটা নোয়াখালীর খোরশেদ আলমের বায়ুডাটা বলে চালিয়ে দিয়ে একটি সিন্ডিকেট নোয়াখালীর খোরশেদ আলম কে সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক প্রচার করার চেষ্টা করছে। ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এবং আহবায়ক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। নোয়াখালীর খোরশেদ আলম আদৌও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি করতেন কি না??

0 মন্তব্যসমূহ