এনসিপি জামায়াতে ইসলামী জোটে যোগ দিয়ে কতটা বেঁচে গেছে, তা বুঝতে চাইলে নুরুল হক নূরের দিকে তাকানোই যথেষ্ট হবে। বেচারা নূরের এখন 'মাথার ঘায়ে কুত্তা পাগল' অবস্থা! তার দল গণঅধিকার পরিষদ প্রায় বিলুপ্তির পথে। বিএনপি তাঁর জন্য পটুয়াখালী–৩ (দশমিনা, গলাচিপা) আসনটি ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি নূরের জন্য। বিএনপির প্রার্থী হাসান মামুন স্বতন্ত্র নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ কারণে বিএনপি অবশ্য হাসান মামুনকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু সে বহিষ্কারে তার কিছুই যায় আসবে বলে মনে হয় না। কারণ দশমিনা, গলাচিপা বিএনপির সিংহভাগ নেতা-কর্মী থেকে গেছে তার সাথেই। নূরকে কেউ সহযোগিতা করছে না। শুধু উপজেলা কিংবা পৌরসভা নয়; ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও চলে গেছে মামুনের পেছনে। বিষয়টি নিয়ে বিব্রত নূর এরই মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সভায়।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর দিকে তাকান! এনসিপির জন্য দলটি তাদের সম্ভাবনাময় আসনগুলোই কেবল ছেড়ে দেয়নি, বসিয়ে দেওয়া প্রার্থীসহ সকল নেতা-কর্মীকে কাজে লাগাচ্ছে জোট প্রার্থীকে জিতিয়ে আনার জন্য। নাহিদ ইসলামকে আসন ছেড়ে দেওয়া জামায়াত প্রার্থী এডভোকেট আতিকুর রহমান বাসায় দাওয়াত করে খাইয়েছেন তাকে। আখতারের জন্য জামায়াত রংপুর–৪ (পীরগাছা, কাউনিয়া) আসনে তাদের মহানগরী আমীর পর্যায়ের নেতাকে কুরবানি করেছে।
ঢাকা–৮, কুমিল্লা–৪, পঞ্চগড়–১ এর মতো এমন কতক সম্ভাবনাময় আসন তারা এনসিপিকে ছেড়ে দিয়েছে, যেগুলোতে অনায়াসেই জিতে আসতো। এনসিপি বিএনপি জোটে গেলে তাদের অবস্থা হতো গণঅধিকারের মতো। স্বতন্ত্র জোট করলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই আসতো না অধিকাংশ আসনে। নাহিদ-আখতাররা বুদ্ধিমান বলেই জামায়াত জোটে এসে রাজনীতি টিকিয়ে রাখলেন তাদের। যে নেত্রীরা এই ইস্যুতে পদত্যাগ করেছেন, তাদের উচিত রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে রান্নাবান্নায় মন দেওয়া।
আর রান্নাবান্নায় মনযোগ দিলে লালসালুর সরিষার তেল দিয়ে ট্রাই করবেন।
লালসালুর সরিষার তেল সারা দেশে কুরিয়ার করা হচ্ছে। অর্ডার করতে নক করুন আমার ইনবক্স অথবা হোয়াটসেপে।
মূল লেখা- লাবিব আহসান ভাই

0 মন্তব্যসমূহ