‘ঐক্যবদ্ধ শক্তিই বিজয়ের চাবিকাঠি’: মহেশখালীতে ধানের শীষের সমর্থনে অফিস উদ্ভোদন
কালারমারছড়ার ইউনুস খালীতে নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন; আলমগীর ফরিদের জয়ে সব ভেদাভেদ ভুলে মাঠে নামার শপথ
নিজস্ব প্রতিবেদক, মহেশখালী:
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে নির্বাচনী ডামাডোল তুঙ্গে। প্রচারণার অংশ হিসেবে মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নতুন নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনুছখালী অস্থায়ী কার্যালয়ে এক প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নির্বাচনী কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বিএনপি, যুবদল, শ্রমিক দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঢল নামে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে এই নির্বাচনী কার্যালয়কে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সভায় বক্তারা দলের অভ্যন্তরীণ সব ছোটখাটো বিভেদ ভুলে আসন্ন নির্বাচনে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম ও সহ-সভাপতি মোস্তফা কামালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয় দলীয় প্রার্থী আলহাজ আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদের বিজয় নিশ্চিত করা। ডেকনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং ‘গণমানুষের নেতা’ হিসেবে পরিচিত আলমগীর ফরিদকে সংসদে পাঠাতে ঐক্যবদ্ধ মাঠের রাজনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মহেশখালী উপজেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল আজাদ সভায় আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, “আমাদের মাঝে আর কোনো দ্বিধা-বিভক্তি নেই। সকল ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ইনশাআল্লাহ, ধানের শীষের বিজয় এবার সুনিশ্চিত।”
কালারমারছড়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এই সভায় উপস্থিত থেকে শপথ নেন। তারা জানান, ঐক্যবদ্ধ শক্তিই আগামী নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার মূল চাবিকাঠি। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিতে আজ থেকেই কোমর বেঁধে নামছেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কালারমারছড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এমন সুসংগঠিত জমায়েত এবং নির্বাচনী কার্যালয় স্থাপন আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর জন্য বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে শ্রমিক দলের এই সক্রিয়তা সাধারণ ভোটারদের মাঝে আলাদা সাড়া ফেলছে।


0 মন্তব্যসমূহ