‘ইয়াবা নয়, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বজুড়ে ব্র্যান্ডিং হবে কক্সবাজার’: চসিক মেয়র



সৈকতে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে ডা. শাহাদাত হোসেন; সৈকত রক্ষায় পর্যটকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, “বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত আমাদের জাতীয় সম্পদ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত ১৬ বছর ধরে কক্সবাজারকে কেবল ইয়াবার স্বর্গরাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই নেতিবাচক তকমা মুছে ফেলে আমাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে কক্সবাজারকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে হবে।”

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে আয়োজিত এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ইপসা’ (YPSA) এই সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করে।


মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, পর্যটন শিল্পকে বাঁচাতে হলে আগে সমুদ্র সৈকতকে দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে পর্যটকদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। কর্মসূচি চলাকালে তিনি নিজে সৈকতের বালিয়াড়িতে পড়ে থাকা বর্জ্য সংগ্রহ করেন এবং উপস্থিত পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি পর্যটকদের নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার অনুরোধ জানান।


বক্তব্যে মেয়র আরও উল্লেখ করেন, গত দেড় দশকে সঠিক প্রচারণার অভাবে কক্সবাজারের প্রকৃত সৌন্দর্য ম্লান হয়েছে। এখন সময় এসেছে সৈকতের পরিবেশ রক্ষা করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সেবা নিশ্চিত করার। তিনি এই সম্পদ রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দেন।


পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে মেয়রের সঙ্গে আরও অংশ নেন ইপসার পরিচালক ড. আরিফুর রহমান, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মুজিবুর রহমান এবং ছাত্রদল নেতা ডা. মাহামুদুল হক জনি। এছাড়া ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই অভিযানে সংহতি প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চট্টগ্রামের মেয়রের এই অংশগ্রহণ এবং কক্সবাজারকে নিয়ে তাঁর ইতিবাচক বার্তা পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে এবং মাদকবিরোধী প্রচারণাকে আরও বেগবান করবে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ