//বিএনপি নেতা বোখারীর লালিত সন্ত্রাসী দ্বারা যায়যায়দিনের সাংবাদিক হাফিজ আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহেশখালীতে টোকেন বানিজ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন যায়যায়দিন পত্রিকার মহেশখালী প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান। এ ঘটনায় মহেশখালী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ওসি কায়ছার হামিদ । এর আগে সন্ধায় উপজেলা মাতারবাড়ি নতুন বাজার চত্বরে অবস্থানকালে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন তিনি। 

জানা যায়- মাতারবাড়ি স্কুল মাঠে মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টার নিউজ কভারের শেষে মাতারবাড়ি টমটম লাইনের আতা উল্লাহ বোখারী লালিত সন্ত্রাসী ইয়ার খাঁন ও আইয়ুবের নেতৃত্বে ৭/৮ জন মিলে মারধর ও মোবাইল সহ টাকা ছিনিয়ে নেন। আতা উল্লাহ বোখারী জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও  মহেশখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দীকী ও আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র মকসুদের ছোট ভাই।
দীর্ঘদিন ধরে টমটম ও সিএনজির লাইনে তার বিরুদ্ধে টোকেন বাণিজ্য এর অভিযোগ উঠে আসছে।

সাংবাদিক ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান জানান- পেশাগত দায়িত্ব পালনের শেষে মাতারবাড়ি নতুন বাজার চত্বরে ডেকে নিয়ে, গত ৩১ ই জানুয়ারি দৈনিক দেশ-বিদেশে পত্রিকার প্রতিবেদন "মহেশখালীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে টোকন বানিজ্যের অভিযোগ " শিরোনামে নিউজটি আমার ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডিতে শেয়ার করলে মহেশখালী বিএনপি নেতা ও পরিবহন সিন্ডিকেটের মালিক আতা উল্লাহ বোখারীর লালিত সন্ত্রাসীরা ডেকে নিয়ে মারধর করেন।

এ ঘটনায় মহেশখালী কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা ওসি কাইছার হামিদের সঙ্গে দেখা করে সন্ত্রাসী আইয়ুব ও ইয়ার খাঁন সহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য দাবি জানান।

এদিকে সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নের্তৃবৃন্দরা।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি কাইচার হামিদ বলেন, এ ঘটনায় সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আতা উল্লাহ বোখারী সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা ওসি স্বীকার করলেও খবর নিয়ে জানা যায় উক্ত ঘটনাস্থলে পুলিশের কোন টিম যায়নি বলে জানান ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান খান।